চাঁদের আর্তনাদ
চাঁদের আর্তনাদ
শুনতে পেলাম অন্তরীক্ষে সুকরুণ মিনতি-
ক্রন্দন কোনো গুমরি উঠিছে ক্ষণে;
চন্দ্রালোকে দীপ্ত বিশ্ব, গ্রহজ্যোতি ক্ষীণ অতি।
চরাচরব্যাপী বিষণ্নতা নিরুদ্ধ রোদনে।
ক্লান্ত হয়ে অনন্তর চন্দ্রিমা দিবাগত
পল্লবিত মূর্ছনাতে ক্রন্দনরোল তোলে;
পেলব মায়ার আবেশে হয়ে সে নত
অপনোদনের আশায় নয়ন খোলে।
শুনতে পেলাম জ্যোৎস্নার কেন মন ভার
কেন বিমর্ষ, কেন এত ব্যথা মনে তার-
তুমি বিনা জ্যোস্নালোকে তোমায় দেখার সাধ
নিশাকরের চপল মনে অকাল বিসম্বাদ।
না-বলা যত অভিমানের ত্রস্ত উত্তেজনা
বিফল-ব্যর্থ-দিশাহীন পথে ধায়।
দেখতে তোমায় উদ্বেলিত কৌমুদী উন্মনা
তোমার দুয়ারে পুনঃপুনঃ ফিরে যায়।