আমাদের এই সায়ন নামক মন্ডলদের পো
আমাদের এই সায়ন নামক মন্ডলদের পো
আমাদের এই সায়ন নামক মন্ডলদের পো
আর যাবে না ইস্কুলেতে, ধরলো হঠাৎ গোঁ।
কেলাস নাইন পাশ করেছে, ভালোই রেজাল,
(পেছনে তার সামান্যই টুকলি-ভেজাল।)
এক এক করে সবাই শুধোয়, ওরে সায়ন,
কেলাস ছেড়ে কেন বাছা এই পলায়ন?
সায়ন কিন্তু নির্বিকারই, কয় না কিস্যু
ভাবলো সবাই এ ব্যাটা তো মহা বিচ্ছু!
অবশেষে রটল গুজব এক এক করে
মাথার ব্যামো, চাইল্ড লেবার, নাইন পড়ে
পেয়েছে সে কালেক্টরি। লোকের মুখে
এসব শুনে সায়ন তবু সেই উদাসীন;
ইতিমধ্যে কেটে গেছে বেশ কিছুদিন।
দেখা হলো গলির মোড়ে, শুক্রবারে-
জড়িয়ে আমায় কান্না শুরু, আর না ছাড়ে।
বললাম আমি, কী হলো ভাই, বল তো শুনি!
হু হু করে কাঁদার ফাঁকে বলল যা তা এই,
স্কুলে না আসা ছাড়া বিকল্প আর নেই।
কথা ছিল শশীশেখর দেবেন কন্যারত্নখানি
সায়নকেই; কিন্তু যখন জানাজানি
হয়েই গেল সায়ন বসবে মাধ্যমিকে,
তৎক্ষণাৎই ঠাকুরমশাই গেলেন পুরো অন্যদিকে।
চিঠিতেই সংক্ষেপে কাজ সেরে দিলেন,
হুমকি দিয়ে সেই চিঠিতে লিখেছিলেন-
"শোনো বাপু, চোদ্দপুরুষ আমার কুলে
পেরোয়নিকো কেলাস নাইন মনের ভুলে।
চাও যদি তো আরো বেশি পড়তে পারো,
নাইন পাশ তো করেই গেলে,
মাধ্যমিকও করতে পারো।
কিন্তু শুধু একটা কথা, মনে রেখো-
টেন পাশ কেউ আমার বাড়ি
কোনোকালে জামাই হতে যদিও আসে
চোট্টা বলে পিটিয়ে দেব প্রথমেই।
পাবো না'কো মেয়ের দেখাও,
কেলাস টেনে ওঠার দোষে।"