সায়ন
সায়ন
সেদিন তখন সন্ধ্যে সবে, শুক্রবারে
আকাশ বসে ঝিমোচ্ছিলো লোকাল বারে-
কুড়ি টাকার এক গোছা নোট গাঁটে।
আসছিল এক ছায়ামানব বাগিয়ে বিপুল ভুঁড়ি;
মত্ত চোখে ভাবলো আকাশ, "জুটলো এবার জুড়ি,
চম্পা বারের চুল্লুতে কি একলা সময় কাটে!"
ভুঁড়িমানব এগিয়ে আসেন, বসেন পাশে,
আকাশ ব্যস্ত আপ্যায়নে, চুল্লু ঢেলে গ্লাসে;
ঝালমুড়ি আর চপের ঠোঙায় যখনই হাত দেবে-
তাকিয়ে দেখে হবু শ্বশুর, টলছে ভীষণ।
এক নিমেষেই ছকে নিল দুরূহ এক মিশন,
ঠিক করল মেয়ের সাথে জামবাগানও নেবে।
"দেখো জামাই, এই বয়সে এত নিয়ম কে মানে?
তোমার শাশুড়ি রান্না বলতে নিরামিষটাই জানে,
আমার জীবনে শুক্রবারের অন্ত নেই যে আর!
একমাত্র জামাই তুমি, একটু নাহয় মদই খেলে,
ও কিছু নয়, আমি জানি তুমি তো খুব যোগ্য ছেলে।
অতি আদরের মেয়েকে দেব, জামবাগান তো ছার!
কি আর হবে দেখা হওয়ার এই কথাটা মনে রেখে,
বাড়ি ফিরে ভালো দিনক্ষণ খুঁজে পঞ্জিকা দেখে-
বিয়ের তারিখ ঠিক করে ফেলি পুরুত ডেকে।
তুমি দেখো শুধু দানপত্রে সাক্ষী হবে কে কে।"