কাজল, নাকি ঝড়ের মেঘ?
জীর্ণ এ পৃথিবী মাঝে, অন্তহীন শোক
দীর্ণ নিশীথিনী আজ
উন্মাদ প্রেমিক আমি
বিকেল যখন নামল পথে
এবার মাঘের হাড় হিম করা শীতে
বিস্মৃতির তটরেখা
তোমাকে পাওয়ার পথে
সুন্দর তুমি, সন্দেহ তাতে নেই এক কণা
একদিন এ গোধূলির যবনিকা উন্মোচিত হবে
গোধূলির কোমল আশ্লেষ
কতক কাব্য অতি অশ্রাব্য
ভ্রান্ত জীবনপথে
কুয়াশা জুড়ে
মরালগামিনী মনোহারী মেয়ে
চলো
চাঁদের আর্তনাদ
ওহে আমার সুতনু কদলীবালা
এই বসন্তের দাবদাহে
ভাঙিয়াছে তার খেলনার ঘর
এই যে দেখো আকাশে আজ প্লাবন
হৃদয় জুড়ে ঘন কালো অস্থিরতার মেঘ
যদিও আমার অনন্ত সংঘাত-
প্রস্তাবনা (চতুর্দশপদী চেষ্টা)
এসো জাহ্নবী , ত্বরা এসো প্রিয়া
অতঃপর এই আছি বেশ
কুহকিনী আশা
অতন্দ্র প্রহরী আমি
এত ভিড় কি যে করি
আমি অবলা বলে কি
উদ্ধতযৌবনা
পরাজয়ের হারে তোমায় সাজাবো না,
সাইকেলটাও ধাপ্পা দিল
বাসনার প্রমত্ত রিক্ততায়
তোমার চেয়েও সুন্দরী শুধু তুমি
অনিদ্রাদেবীর প্রতি...
ভাঙা সুর, ছেড়া তার
এই যে তুমি আমার কাছে অনিন্দ্যসুন্দরী
আছে কেবল ঘনান্ধকার, কাঁদতে হবে আলোর শোকে
মত্ত মেঘের মৃদঙ্গ-ঝঙ্কারে
জীবনের পথে থমকে দাঁড়িয়ে আছি
সফর ইত্যাদি ৩
দর্শনী নিষ্প্রয়োজন
আমি অনিত্য বিরহী প্রবল কামনা
প্রগাঢ় শূন্যতাকে যেই ক্ষণে মেনেছি আশ্রয়
তোমার জন্য হয়নি লেখা
ভগবানের অবসরের পর
অবান্তর কথাবার্তা
সত্য নয়
তোমায় আমায় এই যে ব্যাকুল মিলনের অন্বেষা
আমি বিরহের প্রেমে কাব্য লিখি
রোদ উঠুক না উঠুক
তুমি এলে, কাণ্ডটা কী!
অষ্টম ঘটিকা গত